শুভেন্দুকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না তা নিয়ে বার বার খোঁচা দিয়েছেন কুনাল। দুর্নীতি ইস্য়ুতে বিঁধে নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ককে জড়িয়ে একের পর এক ট্যুইট করে বোমা ফাটিয়েছেন। এবার উঠছে শুভেন্দুর গ্রেফতারির দাবি। বিরোধী দলনেতা আকন্ঠ দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছেন বলে সুর চড়িয়ে জয়প্রকাশ মজুমদার দাবি করেন, গ্রেফতারি থেকে বাঁচতেই বিজেপিতে যোগ দেন বিজেপি নেতা। পুরনো দিনের কথা স্মরণ করে তৃণমূল নেতা বলেন, ''২০২০ সালের ২৭ নভেম্বর মন্ত্রীসভা থেকে ইস্তফা দেন শুভেন্দু। এরপর ১৯ ডিসেম্বর যান বিজপিতে। তার আগে ১ মার্চ শহিদ মিনারে ছিল শাহী সভা। সিএএ নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বামেরা। এরপর নভেম্বরের ৫-৬ তারিখে অমিত শাহ রাজ্যে আসতেই যোগদানের শর্ত ফাইনাল হয়। তৃণমূল ত্যাগের সময় তিনটে সরকারি দফতরের মন্ত্রী ছিলেন শুভেন্দু। ৫টি সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে। বিশাল সাম্রাজ্য তার অধীনে ছিল। দলত্যাগের সময় তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কর্মীরা নাকি দলে যোগ্য সম্মান পাচ্ছে না। করোনা আক্রান্ত হওয়ার সময় বললেন, অমিত শাহ ছাড়া নাকি তার কেউ খবর নেয়নি। শুভেন্দুর যোগদানের সময় মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূলে। নারদা-সারদার তদন্ত চলাকালীন ২০১৬-য় কৈলাস বিজয়বর্গীয় বিজেপিতে দায়িত্বে এলে দল ছাড়েন মুকুল। তাকে দায়িত্ব দেওয়া হল তৃণমূলে ভাঙন ধরানোর। '' এদিন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের পাল্টা তুলোধনা চলে বিজেপির। বার বার উঠেছে শুভেন্দুর গ্রেফতারির দাবি। এদিকে একের পর এক সভায় পুলিশ অনুমতি না দিলেও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন শুভেন্দু। সদ্যই তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষমতা থাকলে সভা আটকে দেখান বলে।
No comments:
Post a Comment