Monday, 11 March 2024

Member of Parliament: সাংসদরা কত টাকা বেতন পান? আর কী কী অতিরিক্ত সুবিধা পান?

নয়াদিল্লি: সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি, কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস সহ একাধিক রাজনৈতিক দল। প্রার্থী তালিকায় পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদরা যেমন রয়েছেন, তেমনই আবার নতুন নতুন একাধিক মুখও দেখা গিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে যারা জয়ী হবেন, তারা সংসদে যে কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন,তাদের প্রতিনিধি হিসাবে বক্তব্য রাখবেন।
তবে নির্বাচিত সাংসদদের বেতন কত জানেন?

সংসদের তথ্য অনুযায়ী, আগে সাংসদরা মাসিক ১ লক্ষ টাকা করে বেতন পেতেন। এছাড়া বিভিন্ন খাতে ভাতাও পান। সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত হলেই, তারা সরকারি বাংলোও পান থাকার জন্য। এছাড়া সরকারি গাড়ি ও টেলিফোনের বিলের খরচও পান। ট্রেন ও বিমানের ভাড়াতেও ছাড় পান সাংসদরা।

তবে ২০২০ সালে সাংসদদের বেতন, ভাতা ও পেনশন অধ্যাদেশে সংশোধন করা হয়। এরপরে সাংসদদের বেতন ৩০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে সাংসদরা মাসিক বেতন পান ৭০ হাজার টাকা।

এছাড়া কন্সটিটিউয়েন্সি অ্যালাওয়েন্স হিসাবে ৪৯ হাজার টাকা পান। আগে এই ভাতার পরিমাণ ছিল ৭০ হাজার টাকা।
অফিস এক্সপেন্স অ্যালাওয়েন্স হিসাবে ৫৪ হাজার টাকা পান। আগে এই ভাতার অঙ্ক ছিল ৬০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ১৪ হাজার টাকা অফিস এক্সপেন্স বাবদ ও ৪০ হাজার টাকা সেক্রেটারিয়াল অ্যাসিস্টেন্স হিসাবে দেওয়া হয়।

সব মিলিয়ে সাংসদরা মাসিক ৭০ হাজার টাকা বেতন ও বিভিন্ন ভাতা বাবদ ১ লক্ষ ৩ হাজার টাকা পান।

এখানেই শেষ নয়। প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে যোগ দিলে ২১০০ টাকা, ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিলে১৪০০ টাকা, রাজ্যের মন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিলে ৭০০ টাকা ও প্রতিমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিলে ৪২০ টাকা ভাতা পান।

দলবদলের জল্পনা উড়িয়ে ট্যুইট কুণালের, 'ছিলাম, আছি, থাকব'

বাংলার(Bengal) শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) অন্দরে উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে জোর কোন্দল বেঁধেছিল। সেই কোন্দলের অপর প্রান্তে ছিলেন বরানগরের তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় এবং দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh)। দুইজনই কার্যত প্রকাশ্যেই সুদীপের বিরুদ্ধে তোপ দেগে চলেছিলেন।
সেই বিবাদের পরে পরেই তাপস তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কুণাল অবশ্য সুদীপের বাড়িতে গিয়ে ফিসফ্রাই, জলভরা সন্দেশ খেয়ে এসেছেন। সুদীপের বিরোদ্ধে তোপ দাগাও বন্ধ করেছেন। এমতাবস্থায় জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছিল কুণাল হয়তো ২৪'র ভোটে(General Election 2024) তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু গতকাল সেই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছে দল। তমলুকে প্রার্থী হয়েছে দেবাংশু ভট্টাচার্য। ঘটনাচক্রে গতকাল একদিকে যেমন তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশ ছিল, তেমনি লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণারও পালা ছিল। অথচ গতকাল সারাদিন ধরে কোথাও কুণালের টিকির দেখাও পাওয়া যায়নি। এমনকি যিনি নিত্যদিন ৩-৪টি ট্যুইট করেন, তিনি সারাদিন নীরবই থেকে গেলেন। এই অবস্থায় তীব্র জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছিল যে, কুণাল দল ছাড়ছেন এবং তাপসের পথেই পদ্মে যোগ দিচ্ছেন। কিন্তু এদিন সকালে কুণাল নিজে ট্যুইট(Tweet) করে সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন।
কুণাল এদিন ট্যুইট করে লিখেছেন, 'দয়া করে আমাকে নিয়ে কেউ অকারণ জল্পনা ছড়াবেন না। আমি @AITCofficial র কর্মী ছিলাম, আছি, থাকব। শীর্ষ নেতৃত্ব আমাকে যা নির্দেশ দেওয়ার, দিয়ে রেখেছেন। আজও দিয়েছেন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে উত্তর কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর সহ যেখানে দল যা দায়িত্ব দিচ্ছে, পালন করব। যারা অন্যরকম চর্চা করছেন, তাঁরা ভুল করছেন। বাস্তব না বুঝে এরা পন্ডিতি ফলান। আমি কুণাল ঘোষ। 2 আর 2 মিলে 4 ধরবেন না, আমি 22 করার খেলায় বিশ্বাসী। সেই চেষ্টাই করি।' অর্থাত্‍ কুণাল থাকছেন তৃণমূলেই। একই সঙ্গে জোড়াফুল সূত্রে জানা গিয়েছে, কুণালকে দল রাজ্যসভার প্রার্থী করতে পারে। গতকাল লোকসভা নির্বাচনের জন্য যে প্রার্থী তালিকা ঘোষিত হয়েছে সেখানে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার কেন্দ্রের জন্য তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে দলের জেলা সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিক বরাইকের নাম। সেইসূত্রেই জানা গিয়েছে, প্রকাশ লোকসভায় জয়ী হলে তিনি রাজ্যসভার আসন থেকে পদত্যাগ করবেন। সেই আসনের উপনির্বাচনেই কুণালকে প্রার্থী করতে পারে জোড়াফুল শিবির। তবে এই বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।

Sunday, 10 March 2024

জাস্টিস গাঙ্গুলি' বনাম 'তরুণ তুর্কি', তমলুক লোকসভায় মেগা ফাইটে দেবাংশু

ব্রিগেডের জনগর্জন সভা থেকে লোকসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল। দলে একাধিক নবীন মুখ জায়গা দেওয়া দেওয়া হয়েছে। তাঁর মধ্যে অন্যতম হলেন আইতি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য। শোনা যাচ্ছে, বিজেপিতে নাম লেখানো অভিজিত্‍কে প্রার্থী করা হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে
প্রাক্তন বিচারপতির বিরুদ্ধে দলের নবীন মুখ লড়াই করবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো তৃণমূল তমলুকে প্রার্থী করেছে দেবাংশুকে। হাইভোলেটেজ লড়াই হতে চলেছে তমলুকে।

এজলাস ছেড়ে সদ্য রাজনীতিতে এসেছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়। শোনা যাচ্ছে, বিজেপিতে নাম লেখানো অভিজিত্‍কে প্রার্থী করা হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে। প্রাক্তন বিচারপতির বিরুদ্ধে দলের নবীন মুখ লড়াই করবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো হল-ও তাই।শুভেন্দু গড় হিসাবে পরিচিত পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক আসন থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূলের আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য। যিনি যুব মুখ হিসেবে প্রচিত গোটা রাজ্যে। রাজ্যে ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে এবার মেগা ফাইট হতে চলেছে তমলুকে।

বিচারপতি হিসেবে অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিভিন্ন নির্দেশের কড়া সমালোচক ছিলেন দেবাংশু। কখনও নাম করে কখনও আবার নাম না করে বিঁধেছেন অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়কে। সেই প্রাক্তন বিচারপতির বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ের মঞ্চে নামলেন দেবাংশুভট্টাচার্য। এই লড়াই যথেষ্ট উত্তেজনাকর হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তমলুক লোকসভা আসনটি বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলেই মনে করা হয়। বিশেষ করে এই লোকসভা আসনের মধ্যেই পড়ে শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। সেই তমলুকে বিজেপিকে হারাতে নবীন মুখে ভরসা রাখাল তৃণমূল। তমলুককে বিজেপি গড় হিসেবে আলাদা করে গুরুত্ব দিতে নারাজ দেবাংশু।

তৃণমূলের রাজ্য আইটি সেলের সভাপতি দেবাংশু ভট্টাচার্য। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে আইটি ও সোশ্যাল মিডিয়া সেলকে ঢেলে সাজিয়েছেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে তৃণমূল আইটি
পাল্লা দিয়ে চলেছে বিজেপির আইটি সেলের সঙ্গে। দেবাংশুর নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের আইটি সেল বুঝিয়ে দিচ্ছে, শুধু রাজনীতির ময়দানেই লড়াই নয়, বিরোধীদের সঙ্গে জোর টক্কর চলবে সোশাল মিডিয়াতেও। সেই আইটি সেলের প্রধান দেবাংশু ভট্টাচার্য এবার লোকসভার মতো হাইভোল্টেজ নির্বাচনে তৃণমূলের মুখ।

দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামে দেওয়াল লিখন শুরু।

পূর্ব মেদিনীপুর, নন্দীগ্রাম :২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্যের নামে দেওয়াল লিখন শুরু করেছে তৃণমূল নেতা কর্মীরা। তমলুকের খারুই অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা দেওয়াল লিখন শুরু করলো তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে।
তবে অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসে। যে কারণে এক প্রকার টক্কর টক্করে লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে

BJP থেকে তৃণমূলে এসে প্রার্থী, কোন অঙ্কে প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী-মুকুটমণি?

BJP থেকে তাঁরা যোগদান করেছিলেন তৃণমূলে। এমনই কিছু মুখের উপর ভরসা রাখল তৃণমূল। এর মধ্যে রয়েছে কৃষ্ণ কল্যাণী, মুকুটমণি অধিকারী, বিশ্বজিত্‍ দাস এবং বিপ্লব মিত্র। রবিবার ব্রিগেডে জনগর্জন সভা থেকে লোকসভা নির্বাচনের জন্য ৪২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল তৃণমূল। এই তালিকায় রয়েছে একাধিক চমক।৮ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলেই তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন মুকুটমণি অধিকারী।
সেই সময়ই মনে করা হচ্ছিল, রানাঘাট কেন্দ্র থেকে তাঁকে প্রার্থী করতে পারে রাজ্যের শাসক দল। তিনি মতুয়া মুখ হিসেবে পরিচিত। এলাকায় স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে তরুণ এই ডাক্তারবাবুর। স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে সামনে রেখে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিল তৃণমূল, তা বলাই বাহুল্য।

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে রানাঘাট কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রথম পছন্দ ছিলেন মুকুটমণি। সেই সময় তিনি দাপিয়ে রাজনৈতিক ময়দানে কাজ করছেন। মতুয়াদের মধ্যেও তাঁর জনপ্রিয়তা
নজরকাড়া। কিন্তু, সেই সময় তিনি সরকারি হাসপাতালের চিকিত্‍সক ছিলেন। ইস্তফা সংক্রান্ত জটে তাঁকে প্রার্থী করা সম্ভব না হলে শিকে ছেঁড়ে জগন্নাথ সরকারের কপালে।এই বারেও জগন্নাথ সরকারকে প্রার্থী করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। এরপরেই ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছিলেন মুকুটমণি অধিকারীর শিবির। প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন খোদ মুকুটমণিও। এরপরেই তিনি যোগদান করেন তৃণমূলে। তাঁকেই এবার রানাঘাট কেন্দ্রের প্রার্থী করেছে তৃণমূল। মুকুটমণি বনাম জগন্নাথ -এই লড়াই লোকসভা নির্বাচনে দেখারলোকসভা নির্বাচনে দেখার জন্য রীতিমতো মুখিয়ে রাজ্য রাজনৈতিক মহল। এদিকে ২০২১ সালেই তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। তিনি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রতীকে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন।

পরবর্তীতে তিনি যোগদান করেন তৃণমূলে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সময় যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা তিনি রেখেছেন। আর সেই জন্যই অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি যোগদান করেছিলেন বলে জানিয়েছেলিন। পাশাপাশি বিজেপি-কে তোপ দেগেতিনি দাবি করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

২০২৩ সালে তাঁর বাড়িতে ED তল্লাশি চালায়। সেই সময় এজেন্সি রাজনীতির অভিযোগে সরব হয়েছিল তৃণমূল। এবার সেই কৃষ্ণ কল্যাণীকে রায়গঞ্জ কেন্দ্রের প্রার্থী করা হল। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী। এলাকায় সমাজকর্মী হিসেবে তাঁর পরিচিতিও রয়েছে বিস্তর। এখন দেখার লোকসভা নির্বাচনে তিনি তৃণমূলের হয়ে জয় এনে দিতে পারেন কি না।

Sunday, 11 June 2023

Nandigram: নন্দীগ্রামে যখন তৃণমূল ছিল না তখন আমাদের প্রয়োজন ছিল, কেন এমন আক্ষেপ শেখ সুফিয়ানের

 তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কারা তা ঠিক করবেন দলের কর্মীরাই। এনিয়ে প্রবল গোলমাল হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। তবে একেবারে তৃণমূল স্তরে না হলেও পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের যে ব্লক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে নেই নন্দীগ্রামের দাপুটে নেতা শেখ সুফিয়ানের নাম।
এনিয়ে প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল নেতা।
তৃণমূলের যে ব্লক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে সেখানে সুফিয়ানের অনুগামীদেরও রাখা হয়নি। ওই কমিটিতে নাম নেই সুফিয়ান অনুগত প্রাক্তন ব্লক সভাপতি স্বদেশ রঞ্জন দাসেরও। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সহকারী সভাপতি তথা নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রসিডেন্ট শেখ সুফিয়ান। কমিটিতে তাঁকে না রাখা নিয়ে সুফিয়ান বলেন, নন্দীগ্রামে যখন তৃণমূল ছিল না তখন আমাদের প্রয়োজন ছিল। এই নন্দীগ্রামে যখন তৃণমূলের প্রদীপ নিভে গিয়েছিল তখন এই সুফিয়ান আন্দোলন করে তৃণমূল দলটাকে জাগ্রত করেছিলাম। 

গত বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করেছিলেন খোদ মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সেই ভোটে মমতার নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন শেখ সুফিয়ান। হাইভোল্টেজ সেই নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে পারেননি সুফিয়ান। তবে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছের মানুষ ছিলেন সুফিয়ান। এনিয়ে তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে যখন ২০০৭ সালে ভূমি আন্দোলন হয় তখন আমাদের ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি করেছিল দল। সেই নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আজকের বাংলায় বদল এসেছিল। নতুন সরকারের আমলে ২০০৮ সালে পুর্ত কর্মাধক্ষ্য, ২০০১৩ ও ২০১৮ সালে দলের সহ-সভাপতির থাকার সুবাদে নন্দীগ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। নন্দীগ্রামের মানুষ তা জানে। দলের সেই জায়গাটা ধরে রেখেছি। কিন্তু বর্তমানে যারা দলচাকে নতুন করে নিয়ে আসবে ভাবছে তাদের নিয়ে এখনই কিছু বলছি না। আমার নাম কমিটিতে আছে কী নেই তা জানি না। দলের উপরতল বিষয়টি নিয়ে ভাববে। আমি দলের একজন সাধারণ সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার নেত্রী।

Saturday, 10 June 2023

শুভেন্দু গড়ের বিজেপি নেতা চলে এলেন তৃণমূলে

 'এখন আদি বিজেপি(BJP) নেতাকর্মীদের কোনও সম্মান নেই, কাজ করার সুযোগ নেই, নব্য বিজেপি অর্থাত্‍ শুভেন্দুর(Suvendu Adhikari) অনুগামীদের রাজ চলছে। দলে আদিরা স্থান পাচ্ছেন না। কাজ করতে পারছেন না। দল থেকে আদিদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।' এই সব বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেই শুভেন্দুগড়ে দল ছাড়লেন দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতা বিজন দাস(Bijan Das)।
যোগ দিলে তৃণমূলে(TMC)। আর তাঁর এই যোগদান, পঞ্চায়েত নির্বাচনের(Panchayat Election) মুখে নন্দীগ্রামের(Nandigram) বুকে বড়সড় ধাক্কা। কেননা বিজনবাবু সাধারন কোনও বিজেপি নেতা নন। তিনি নন্দীগ্রাম বিধানসভার তিনবারের বিজেপি প্রার্থী, নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে দলীয় কমিটির সদস্য এবং সোনাচূড়া অঞ্চল নির্বাচনী কমিটির পর্যবেক্ষক। তাঁর এই জার্সি বদলের জেরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি যে সোনাচূড়ায় ধাক্কা খেতে চলেছে সে নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

শুক্রবার বিজনবাবু তৃণমূলের দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন। তাঁকে দলে যোগদান করান তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যান পীযুষ ভূঁইয়া। এছাড়াও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম -১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ, যুব তৃণমূলের সভাপতি আসগর আলি সহ অন্যান্যরা। বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের পর বিজনবাবু সাংবাদিকদের জানান, 'মা মাটি মানুষের সরকার অর্থাত্‍ তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের সঙ্গে থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের উন্নয়নের কাজ করতেই যোগদান করেছি। কোনও চাপের মুখে নয়। নিজের ইচ্ছায় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছি। বিজেপি'র আসল রূপ মানুষ চিনে গিয়েছেন। এখন আমার মতো নেতাকর্মীরাও বুঝতে পারছেন। রাজ্যে যে একমাত্র তৃণমূলই থাকবে, সেটা সবাই বুঝতে পারছেন, তাই একে একে সবাই তৃণমূলের ছাতার তলায় আসবেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলায় বিজেপি ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।'

Monday, 5 June 2023

বিদেশ যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে বাধা, অভিষেকপত্নী রুজিরাকে আটকাল অভিবাসন দপ্তর

 বিদেশ যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে বাধার মুখে পড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) স্ত্রী রুজিরা। সূত্রের খবর, সোমবার সকালে দমদম বিমানবন্দর (Dumdum Airport)থেকে দুবাই যাওয়ার পথে তাঁকে আটকানো হয়। রুজিরার সঙ্গে ছিল তাঁদের দুই সন্তানও।
তাঁর বিদেশ যাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল বিমানবন্দরের অভিবাসন দপ্তরের বিরুদ্ধে। দলীয় সূত্রে খবর, এই ঘটনার পর আদালত অবমাননা নিয়ে ফের মামলা দায়ের করতে পারেন অভিষেক।

জানা যাচ্ছে, সোমবার সকালে ছেলেমেয়েদের নিয়ে দুবাইয়ের (Dubai) উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায় টানা ২ মাস জেলায় জেলায় ঘুরছেন। ফলে একাই সন্তানদের নিয়ে দুবাই যাচ্ছিলেন রুজিরা। কিন্তু অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিকরা তাঁকে আটকে বলে অভিযোগ। বিদেশ যাওয়া যাবে না বলে জানানো হয় রুজিরাকে। যদিও এর আগে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর বিদেশযাত্রায় কোনও বাধা নেই বলে জানিয়েছিল।



এদিকে, অভিবাসন দপ্তরের যুক্তি, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ইডির লুকআউট নোটিস (Lookout Notice) রয়েছে। আবার দিল্লির আদালতেও একটি মামলা চলছে। সেই মামলায় এখনও জামিন নেননি রুজিরাদেবী। ফলে এই মুহূর্তে দেশের বাইরে তিনি যেতে পারবেন না। সেই কারণেই সোমবার তাঁকে আটকানো হয়েছে বলে জানান অভিবাসন দপ্তরের (Immigration Department) আধিকারিকরা। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরও ছাড় না পেয়ে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে যান রুজিরা।

রুজিরাকে এভাবে আটকানো নিয়ে ক্ষুব্ধ তৃণমূল। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের প্রতিক্রিয়া, 'এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার পরই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে একটা বিষয় স্পষ্ট। রাজনৈতিকভাবে না পেরে এখনও অন্যান্য নানাভাবে আমাদের দলের সঙ্গে যুক্ত মানুষজনকে হেনস্তা করা হচ্ছে। সেই দল রাজনৈতিকভাবে পুরোপুরি দেউলিয়া।' সূত্রের খবর, স্ত্রীকে বিমানবন্দরে আটকানো নিয়ে অভিষেক পালটা মামলা করতে পারেন।

দুবাই যাওয়ার পথে বিমানবন্দরে আটকানো হল রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
সন্তানদের নিয়ে তিনি দুবাই যাচ্ছিলেন, আটকালেন অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিকরা।
তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি থাকায় দেশের বাইরে যাওয়ায় নিষেধ, বলছে অভিবাসন দপ্তর।

Friday, 2 June 2023

বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে করমণ্ডল এক্সপ্রেস, মালগাড়িতে ধাক্কা দিয়ে লাইনচ্যুত বেশ কয়েকটি বগি

 ওড়িশার (Orissa) বালেশ্বরের কাছে মালগাড়িতে ধাক্কা দিয়ে লাইনচ্য়ুত আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের (Karmandal Express) একাধিক বগি। শোনা যাচ্ছে, প্যান্ট্রি কার ও স্লিপার কামরা লাইনচ্যুত (Derailed)হয়েছে। বহু যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর।
তবে স্থানীয় মানুষজন দ্রুত উদ্ধারকাজে নামায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া গিয়েছে। দুর্ঘটনা নিয়ে এখনও রেলের তরফে বিশেষ কিছু জানানো হয়নি। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে হাওড়া-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস ছেড়েছিল শালিমার স্টেশন থেকে। বালেশ্বর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে বাহানাগা স্টেশনের কাছে একটি মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা (Collision) খায় এক্সপ্রেস ট্রেনটি। পরবর্তী সময়ে জানা গিয়েছে, মোট ১৮ টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর। 

Wednesday, 31 May 2023

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে সারদা কর্তার চিঠি, সিবিআই তদন্তের নির্দেশ আদালতের

 সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেনের (Sudipta Sen) চিঠির ভিত্তিতে শুভেন্দুর অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে সিবিআই (CBI) তদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তৃণমূল (TMC)নেতা কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) আইনজীবী অয়ন চক্রবর্তী ওই চিঠির অভিযোগ সিবিআইকে খতিয়ে দেখতে বলার জন্য আদালতে আবেদন করেন।
মুখ্য নগর দায়রা আদালত শুনানির পর চিঠির বিষয়টি সিবিআইকে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কুণালের আইনজীবী অয়ন বুধবার এমনটাই জানিয়েছেন। 

এর আগে জেল থেকে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন এক চিঠিতে অভিযোগ করেন কাঁথি পুরসভা নগদ এবং ড্রাফটে তাঁর কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা নিয়েছিল। সেই সময় কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন শুভেন্দুর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। চিঠিতে সুদীপ্তর আরও অভিযোগ ছিল, শুভেন্দু ওই টাকা দেওয়ার জন্য সারদা কর্তাকে নানাভাবে চাপ দিয়েছিলেন। ওই চিঠির ভিত্তিতে কেন শুভেন্দুকে সিবিআই গ্রেফতার করছে না, এই প্রশ্নে বহুদিন ধরেই সরব কুণাল। সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের আরও অনেক নেতাই বিভিন্ন সভা-সমিতিতে প্রশ্ন তুলছেন, সারদা কর্তার চিঠিতে শুভেন্দুর নাম থাকা সত্ত্বেও কেন সিবিআই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ বা গ্রেফতার করছে না। পাশাপাশি নারদ কাণ্ডে শুভেন্দুকেও তোয়ালেতে মুড়ে টাকা নিতে দেখা গিয়েছে টিভির ফুটেজে। তারপরও কী করে শুভেন্দু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গিয়েছেন, সেই ইস্যুতেও তৃণমূল নেতারা হইচই করছেন বেশ কিছুদিন ধরে। বিশেষ করে নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক তৃণমূল নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে ধরা পড়ার পর শাসকদল শুভেন্দু ইস্যুতে পাল্টা চাপ দিতে শুরু করেছে। 

কয়েকদিন আগেই কুণাল ঘোষ সাংবাদিক সম্মেলনে কাগজপত্র দেখিয়ে দাবি করেন, সারদা কর্তার কাছ থেকে কাঁথি পুরসভা ৫০ লক্ষ টাকা নিয়েছিল কি না, তা অধিকারী পরিবারকে স্পষ্ট করে জানাতে হবে। তাহলেই দুধ কা দুধ পানি কা পানি পরিষ্কার হয়ে যাবে। কেন সুদীপ্ত সেনের ওই চিঠি নিয়ে সিবিআই তদন্ত হচ্ছে না, কেন শুভেন্দুকে সিবিআই তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে না, কুণাল সেই প্রশ্নও তোলেন ওই সাংবাদিক বৈঠকে।

Tuesday, 30 May 2023

রাজ্যে বিভিন্ন পদে ১ লাখ ২৫ হাজার নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

 রাজ্যে বিপুল কর্ম সংস্থানের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার পদে নিয়োগ করার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। প্রাথমিক, উচ্চপ্রাথমিক, নার্স, অঙ্গনওয়াড়ি, পুলিশ-সহ একাধিক ক্ষেত্রে এই নিয়োগ হবে বলে মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকে ১১ হাজার ও উচ্চপ্রাথমিকে সাড়ে ১৪ হাজার প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। রাজ্যের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২০০ অধ্যাপক নিয়োগ করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। পাশাপাশি গ্রুপ-ডি পদে ১২ হাজার, গ্রুপ-সি পদে ৩ হাজার, নার্স ৭ হাজার, পুলিশে ২০ হাজার, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে ৯৪৯৩ কর্মী নিয়োগ হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, এক্সাইজ কনস্টেবল পদে ৩ হাজার লোক নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য দফতরে ২ হাজার চিকিত্‍সক নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে নবান্ন। কমিউনিটি হেল্থ বিভাগে ২ হাজার এবং ৭ হাজার আশাকর্মী নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদে আরও ১৭ হাজার কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সবমিলিয়ে আগামী এক বছরে ১ লাখ ২৫ হাজার কর্মী নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার।

শুভেন্দুর কেন্দ্রে অভিষেকের 'সেবাশ্রয়'! কেন নন্দীগ্রাম

ডায়মন্ড হারবারের বাইরে এতদিন 'সেবাশ্রয়' প্রকল্প নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই সীমারেখা ভাঙা...